mbtv24.com: মধ্যপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতির কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ কমে যাওয়ায় দেশে তেল সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। এতে স্বাভাবিক চাহিদার তুলনায় বেশি তেল কেনা শুরু হওয়ায় সরকার সাময়িকভাবে জ্বালানি তেল বিক্রিতে সীমা নির্ধারণ করে এবং ফিলিং স্টেশনগুলোতে সরবরাহ কমিয়ে দেয়।
তবে এতে বিভিন্ন স্থানে ফিলিং স্টেশনে ভিড় বাড়ে এবং সরবরাহ বাড়ানোর দাবি ওঠে। এমন পরিস্থিতিতে সরকার তেল কেনার ওপর আরোপিত সীমা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জরুরি বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে এবং রোববার থেকে রেশনিং বা সীমাবদ্ধতা তুলে নেওয়ার ঘোষণা আসবে।
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ জানিয়েছেন, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে আগাম সতর্কতা হিসেবে রেশনিং চালু করা হয়েছিল। তবে এখন সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার বিভিন্ন উৎস থেকে তেল আমদানির উদ্যোগ নিচ্ছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্রে জানা গেছে, দেশে বর্তমানে প্রায় দুই লাখ টন ডিজেল মজুত রয়েছে এবং জরুরি ব্যবহারের জন্য আরও প্রায় ৬০ হাজার টন রাখা আছে। দিনে ডিজেলের চাহিদা প্রায় ১২ হাজার টন। মার্চ মাসে মোট ১৮টি জাহাজে জ্বালানি তেল দেশে আসার কথা, যার কয়েকটি ইতিমধ্যে এসেছে এবং আরও কয়েকটি আসার অপেক্ষায় রয়েছে।
এ ছাড়া পেট্রল ও অকটেনেরও পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং দেশীয় উৎপাদন থেকে প্রতিদিন নতুন করে সরবরাহ যুক্ত হচ্ছে। সরকারের ধারণা, সীমা তুলে দিয়ে স্বাভাবিক সরবরাহ চালু করলে মার্চ মাসে জ্বালানি তেলের সংকট হওয়ার আশঙ্কা নেই। তবে অতিরিক্ত তেল কিনে কেউ মজুত করলে বাজারে চাপ তৈরি হতে পারে।
mbtv24.com
Date : 15/03/2026

